Information and education blog

Showing posts with label freelancing. Show all posts
Showing posts with label freelancing. Show all posts

Web design and Graphic design help

গ্রাফিক/ওয়েব ডিজাইনের জন্য সেরা

টুল্‌স আর রিসোর্স কালেকশন

গ্রাফিক/ওয়েব ডিজাইনের জন্য সেরা ২০০টি অ্যাপ, টুল্‌স আর রিসোর্স কালেকশন! বুকমার্ক করে রাখুন অবশ্যই!
ডিজাইন নিঃসন্দেহে সৃজনশীল কাজ। এই সৃজনশীলতাকে আরো প্রাণবন্ত করতে প্রয়োজন হয় বিভিন্ন রিসোর্সের। আজ আলোচনা করব গ্রাফিক/ওয়েব ডিজাইনের জন্য প্রয়োজনীয় ২০০ অ্যাপ, টুলস্‌ আর রিসোর্স নিয়ে। চলুন দেখে নেয়া যাক।

বৃহৎ ডিজাইন নেটওয়ার্ক

ws_Envatcalypse_2560x1440

সারাবিশ্বের সৃজনশীল গ্রাফিক ডিজাইনাররা নিজেদের কাজ এবং পন্য প্রদর্শনের জন্য রয়েছে জনপ্রিয় কিছু ওয়েবসাইট নেটওয়ার্ক। ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক ডিজাইনারদের কাছে এই ওয়েবসাইটগুলো খুবই কার্যকরি। বর্তমানে ডিজাইনাররা সমমনা অন্যান্য ডিজাইনার এবং ক্লায়েন্টদের কাছে তাদের পারদর্শিতা এবং যোগ্যতা প্রকাশের অন্যতম সামাজিক মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করেন, যেখানে সংশ্লিষ্ট শিল্পের সেবাগ্রহীতা এবং সেবাপ্রদানকারিদের মধ্যে একটি বিশ্বস্ত অনলাইন যোগাযোগ মাধ্যমের বিকাশ ঘটেছে। ডিজাইনাররা সাধারণত তাদের প্রকল্পগুলো পোর্টফোলিও হিসেবে রাখেন এবং অন্নান্য ডিজাইনার এবং বায়াররা সেগুলো পর্যবেক্ষণ করে এবং অনেক সাময় বায়াররা এখান থেকে তাদের চাহিদা উপযোগি পন্যের অর্ডার দেন, কিংবা যোগ্যতাসম্পন্ন ডিজাইনারদের তাদের কাস্টম প্রজেক্টের জন্য হায়ার করেন।

ফন্ট রিসোর্স (প্রিন্ট/ওয়েব)

projukti teamডিজাইনারদের জন্য অনেক ফন্টের প্রয়োজন হয়। সময়মত প্রয়োজনীয় ফন্টের জন্য পোহাতে হয় বিড়ম্বনা। পেশাদার কাজের জন্য প্রয়োজন হয় ভালো মানের ফন্টের তাই ফন্ট রিসোর্স এর কিছু ওয়েবসাইট। বুকমার্ক করে নিন।

কালার রিসোর্স (প্রিন্ট/ওয়েব)

  • প্রযুক্তি টিম
    ডিজাইনিং কিন্তু একটি সৃষ্টিশীল কাজ। এ কাজে সৃষ্টিশীলতার গুরুত্ব লেখক, শিল্পী বা কবিদের কাজে যেমন, তেমনই বেশি। কিন্তু অনেক সময় উপযুক্ত সহায়তার অভাবে ডিজাইনাররা রুচিশীল, সুন্দর কোনো ডিজাইন সৃষ্টি করতে পারেন না। এ কারণেই ওয়েবের বিশাল ভুবন থেকে এমন কিছু ওয়েব রিসোর্স খুঁজে একত্র করা হল যেগুলো ডিজাইনারদের কালার কম্বিনেশনের কাজে দারুণ সহায়তা করবে।
    COLOURlovers
  • Adobe Kuler
  • ColRD
  • 0to255
  • ColorMunki
  • Pictaculous
  • Color Hunter
  • ColoRotate
  • Check My Colors
  • Color Scheme Designer

ভেক্টর আইকন, বান্ডেল, ব্রাশ এবং অন্যান্য

প্রত্যেক ডিজাইনারেরই অনেকগুলো টুলস আর রিসোর্স দরকার পরে, সময় মতো সঠিক টুলস না পেলে কাজ করতে অনেক অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়। তাই ডিজাইনের প্রয়োজনীয় টুলসগুলো গুছিয়ে আলাদা আলাদা ফোল্ডারে রাখা দরকার। প্রয়োজনিয় সাইটগুলোর লিঙ্ক বুকমার্ক করে রাখুন।

ডিজাইনারদের জন্য আইপ্যাড এবং আইফোন অ্যাপ

বাংলা টিউটোরিয়াল
অসাধারণ কিছু আইপ্যাড এবং আইফোন অ্যাপ ডিজাইনের জন্য। বুকমার্ক করে রাখতে পারেন।

মোবাইল অ্যাপ ডেভেলাপমেন্ট টুলস্‌ এবং রিসোর্স

  • প্রযুক্তি টিম
    অ্যাপ ডেভেলপ করতে গেলে প্রয়োজন হয় অনেক রকমের ওয়েবসাইট। ডেভেলপারদের কাছে এসব সাইট টুল হিসেবে পরিচিত। এসব সাইট থেকে প্রয়োজনীয় কনটেন্ট সংগ্রহ কাজকে সহজ করে দেয়, নিজে থেকে অনেক জিনিস তৈরির করার প্রয়োজন হয় না। তাই এরকম কিছু ওয়েব সাইটের লিংকঃ
    Fluid UI
  • Cabana
  • ps
  • App Cooker
  • Crashlytics
  • App Annie
  • Mobile Roadie
  • Parse
  • Appboy

ইনফোগ্রাফিক এবং ডাটা ভিজুয়েলাইজেশন রিসোর্স

প্রযুক্তি টিম

ইনফোগ্রাফি

যারা ইনফোগ্রাফি এবং ডাটা ভিজুয়েলাইজেশন কাজ করে থাকেন তাদের জন্য অসাধারণ কিছু রিসোর্সঃ

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট টুলস্‌ এবং রিসোর্স

  • Screenshot_5
    ক্যারিয়ার হিসেবে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট খুবই জনপ্রিয়।বর্তমান মার্কেটপ্লেস গুলোতে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট জোয়ার চলছে। আর এই ওয়েব ভেলপমেন্টকে সহজ করে দিতে ইন্টারনেট এ আছে হরেক রকমের রেস্পন্সিভ টুলস, রিসোর্স ও সাইট। তারমধ্যে কিছু সাইট এর লিংকঃ
    Coda
  • W3 Markup
  • Firebug
  • Style Tiles
  • Mobify
  • Responsive Grid System
  • SnipSave
  • Retinajs
  • Jquerypp
  • WooThemes

ডিজাইন গ্যালারি (ইন্সপাইরেশন)

Screenshot_8

ডিজাইন ব্লগ

 প্রযুক্তি টিম

ডিজাইন ম্যাগাজিন

গ্রাফিক ডিজাইন এবং ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট প্রশিক্ষণ

 প্রযুক্তি টিম

ডিজাইন স্কুল

ডিজাইন সংক্রান্ত জব খুজার মাধ্যম

ডিজাইনারদের অ্যাফিলিয়েট সার্ভিস

অনলাইন প্রিন্ট সার্ভিস

Screenshot_16

বিবিধ

Screenshot_17

ডিজাইন কমিউনিটি

Screenshot_7

ওয়েব টেষ্টিং এন্ড অপটিমাইজেশন টুল্‌স

Screenshot_6
অনপেজ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে এই টুলগুলো বেশ কাজের, তবে নতুনদের জন্যে এ টুলগুলোর ব্যবহার একটু কঠিন মনে হতে পারে।

  Courtesy : প্রযুক্তি টিম

https://goo.gl/Y3Ovul

Earn Bit coin

আমি বিটকয়েন নিয়ে প্রথম লেখা লিখছি। কিছুদিন ধরে বিভিন্নওয়েব সাইট ঘাটাঘাটির ফসল এই লেখা। এখানে আমি এমন কিছু সাইটের সাথে আপনাদেরকে পরিচিত করে দিব যে সব সাইট আপনাকে কোন পরিশ্রম করতে দিবে না বিটকয়েনউপার্জনের জন্য। আশা করি আপনাদের উপকারে আসবে।
বিটকয়েন কি, এটি কিভাবে কাজ করে এ সম্পর্কে আপনারা অনেকেই ভালোভাবে জেনেফেলেছেন। এ সম্পর্কে টেকটিউনসে অনেক গুলো টিউন হয়েছে। তবুও একটু হালকা করে বলতে হলে বলা যায়, বিট কয়েন হল একটি অনলাইনকারেন্সি সিস্টেমের মুদ্রা। এই কারেন্সি সিস্টেম কে ক্রিপ্টোকারেন্সি বলে।একে দেখা অথবা ছোঁয়া যায় না। এটি তৈরি হয় অনলাইন এ , এবং ব্যবহারিতও হয়অনলাইন এ ডিজিটাল মাধ্যমে। বিটকয়েন পুরোপুরি আমাদের দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত, এটি কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। আপনি নিজেই অনলাইনথেকে এটি রোজগার করতে পারবেন।
বিটকয়েন সম্পর্কিত কিছু এককঃ

1 BITCOIN = $279.08

বিটকয়েন আর্নিং এর কয়টি মাধ্যম আমি জানি তা হল, মাইনিং (mining) এবং কল (faucets)
মাইনিং এ আপনার নির্দিষ্ট একটি বিটকয়েনের অংশ আপনাকে ইউজ করতে হবে। বর্তমানে এটি অনেক হার্ড একটি প্রসেস বিটকয়েন আর্ন করার জন্য।
আরদ্বিতীয় টি হল সবচেয়ে সহজলভ্য উপায় যা বর্তমানে আমাদের মত ইউজার কেবিনামুল্যে বিটকয়েন আর্ন করার সুযোগ দেয়। তবে এটি কতদিন থাকবে তা বলামুশকিল।
আমরা যে bitcon ইউজকরি তা এই প্রসেসের ই অংশ। এরকম আর ও অনেক সাইট আছে যারা পিটিসি অথবাক্যাপচা পুরন অথবা কোন কিছু না করেই শুধুমাত্র রেজিস্ট্রেশন করেই আপনাকেবিটকয়েন আর্ন করতে দিবে। নিচে আমি তা উল্লেখ করব।
বিটকয়েনআর্ন এর জন্য আপনাকে একটি নিজস্ব বিটকয়েন অ্যাড্রেসের অধিকারি হতে হবে।এটি অ্যাকাউন্ট নাম্বার এর মত সবখানে কাজে লাগবে এবং এই অ্যাড্রেস এই আপনারসমস্ত বিটকয়েন জমা হবে।
আপনি খুব সহজেই coin base থেকে এই অ্যাড্রেস টি পেতে পারেন এবং আপনাকে এই অ্যাড্রেস টি যত্ন সহকারেসংরক্ষিত করে রাখতে হবে। তবুও আমি সংক্ষেপে বলছি,
ধাপঃ

১। প্রথমে এই লিঙ্কে যান । এরপর নিচের মত একটা পেজ আসবে ।

Coinbase
২। Email(1) এর বক্সে আপনার মেইল অ্যাড্রেস এবং Password(2) এর বক্সে আপনার পাসওয়ার্ড দিয়ে Create Bitcoin Wallet(3) লিঙ্কে ক্লিক করুন ।
৩। এরপর আপনাকে ইমেইল অ্যাড্রেস ভেরিফাই করেত বলবে । আপনার ইমেইল অ্যাড্রেসে যান এবং Verify My Email Address-এক্লিককরুন । এরপর নিচের মত একটা পেজ আসবে ।
Coinbase-3
৪। এখান থেকে Account Setting(1) থেকে Bitcoin Addresses(2) এর উপরে ক্লিক করলে নিচের মত একটা পেজ আসবে । এরপর Create New Address(3) করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন । নিচের মত একটা অ্যাড্রেস(4) তৈরি হবে । এটাকে সেইভ করে অথবা কপি করে রাখুন পরে কাজে লাগবে ।
Coinbase-2
বিটকয়েন আয়ঃ
ধাপঃ

১। প্রথমে এই লিঙ্কে যান । নিচের মত একটা পেজ আসবে ।

এখান থেকেঃ (১নং অংশে)
Your Bitcoin Address – এ কিছুক্ষণ আগে যে বিটকয়েন অ্যাড্রেস তৈরি করলেন সেটা দিন ।
Password For Your Account – এখানে আপনার পাসওয়ার্ড দিন ।
Repeat Password – এখানে পুনরায় একই পাসওয়ার্ড দিন ।
Your Email – এখানে আপনার ইমেইল দিন ।
ব্যাস এরপর SIGN UP বাটনে ক্লিক করুন । আপনার একাউন্ট হয়ে গেছে । ইমেইল ভেরিফাই করা লাগবে না ।
FreeBitco-3
২। এরপর ওপরের চিত্রে ২নং চিহ্নিত অংশের ঘরগুলো পুরন করুন এবং কেপচা দিয়ে LOGIN বাটনে ক্লিক করুন । এরপর নিচের মত পেজ আসবে । এরপর ১নং চিহ্নিত অংশের কেপচা দেখে ২নং চিহ্নিত বক্স পূরণ করে ROLL!(3) এ ক্লিক করুন ।
FreeBitco-1
৩। এরপর যদি নিচের চিত্রের মত টাইমার(2) উঠা শুরু করে তাহলে তাহলে আপনি Success । আর যদি Invalid Code লেখা আসে তাহলে আবার TRY করুন হয়ে যাবে । এভাবে প্রতি ঘণ্টায় আপনি বিটকয়েন আর্ন করতে পারবেন । আবার ১ ঘন্টা পর আসুন এবং কেপচা পূরণ করে ROLL-এ ক্লিক করুন । দেখবেন একাউন্টে বিটকয়েন যোগ হয়েছে । এভাবে ১ ঘণ্টা পর পর ওয়েব সাইটে যান এবং আর্ন করতে থাকুন । নিচের চিত্রে দেখুন ৩নং চিহ্নিত অংশে আমার আর্ন দেখাচ্ছে ।
FreeBitco-2
পেমেন্টঃ
এবার আসি পেমেন্টের কথায় । এটা ১০০% পে করে কারন আমি দুইবার পেমেন্ট পেয়েছি ।
এরা প্রতি সোমবার পে করে । আপনার একাউন্ট Balance যদি 0.00005460 বিটকয়েনের বেশি হয় তাহলে সেটা অটোমেটিকভাবে সোমবারে আপনার একাউন্টে চলে যাবে । আপনার কিছু করতে হবে না ।
আর হ্যাঁ আপনি রেফার করেও আর্ন করতে পারবেন । আপনার Homepage-থেকে Refer বাটনে ক্লিক করলে আপনার রেফারেল লিঙ্ক দেখতে পারবেন ।
এবার আসি পেমেন্ট পাওয়ার ব্যপার স্যপার নিয়ে। বিটকয়েনের বিভিন্ন সাইট থেকে আপনি যত কয়েন আর্ন করবেন তা আপনার বিটকয়েন আইডি তে মানে coinbase এ জমা হবে। আর আপনি সেখান থেকে খুব সহজেই বাংলাদেশের অনলাইন ব্যাঙ্কে পেমেন্ট ট্রান্সফার করতে পারবেন।
এবং তার জন্য আপনাকে https://goldux.com এএকটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে । অ্যাকাউন্ট যথারীতি আপনার ই মেইল আই ডি দিয়েখুলে কনফার্ম করে নিতে হবে । এখান থেকে আপনি আপনার পেযা, ওকে পে অথবা ইগোপে তে কয়েন এর সমপরিমান ডলার ট্রান্সফার করতে পারবেন। Goldux এ লগ ইন করে নিচের স্ক্রিনশট গুলো অনুসরন করুন।
screenshot-goldux.com 2014-06-09 03-00-27
উপরের দ্বিতীয় স্ক্রিনশট এর বিটকয়েন এর জায়গায় আপনার কাঙ্খিত বিটকয়েন যেটি আপনিcoinbase থেকে পেযা তে ট্রান্সফার করতে চান তা লিখতে হবে। এই ধাপ শেষেgoldux আপনাকে একটি আলাদা বিটকয়েন অ্যাড্রেস দিবে যেখানে আপনারCoinbase অ্যাকাউন্ট থেকে কয়েন ট্রান্সফার ‘করতে হবে। এটিGoldux এর নিজস্ব বিটকয়েন আইডি।
এরপর আপনারCoinbase অ্যাকাউন্ট এ লগ ইন করে সেন্ড মানি তে ক্লিক করলে।
screenshot-coinbase.com 2014-06-09 03-20-31
একটি ডায়ালগ বক্স আসবে নিচের মত।
screenshot-coinbase.com 2014-06-09 03-21-24
তোহকাজ শেষ। এরপর আপনার পে যা অ্যাকাউন্ট এ ডলার জমা হয়ে যাবে। এবং সেখানথেকে আপনি ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার এর মাধ্যমে যে কোন অনলাইন ব্যাঙ্ক এ টাকাপাঠাতে পারবেন।

Freelancing at Online

অনলইনে অনেকেই টাকা রুজি করতে চায়। কারন একটা গুজব রয়েছে অনলাইনে হাজার হাজার ডলার রয়েছে। এখন শুধু পকেট ভর্তি করা বাকি। কিন্তু আসলেই গুজবটা সত্যি। সমস্যা একটাই আপনাকে সঠিক রাস্তা খুজতে হবে।

প্রথম প্রথম ইন্টারনেট পেলে যাদের টাকা রুজি করার চিন্তা থাকে তারা পিটিসি adfly ইত্যাদি নিয়ে অনেক মাতা মাতি করতে থাকে। (টাকা রুজি করার চিন্তাকে আমি খারাপ বলছি না, নিজের খরচ নিজে বহন করা যে কত ভালো একটা কাজ সেটা যে বহন করে সেই বুঝবে, আবার যে করে না সেও বুজবে কারন বার বার নিজের পরিবারের কাছ থেকে টাকা চাওয়া কত বিরক্তি কর তা বলে বুঝানো যাবে না) কিন্তু দেখা যায় যে অনেকেই কিছু দিন পর সব কিছু বুয়া মন্ত্যব্য করে পিচু হটে। যাদের একটু ধৈর্য্য আছে এবং সাথে সঠিক পথ চিনে তাদের সমস্যা হবার কথা না। কারন ফ্রীল্যান্স মার্কেট প্লেসে বাংলাদেশের অবস্থানই তা প্রমান করে দেয়।

ফ্রীল্যান্সিং করা খুবি সহজ এবং অনেক সহজ। এমন কি নিজের দৈনন্দিন রুটিনের কোন পরিবর্তন না করেই ফ্রীল্যান্সিং করে ভালো টাকা রুজি করা যায়।
আপনি যদি কোন কাজ না জানেন, শুধু ব্যাসিক কম্পিউটিং, ওয়ার্ড প্রসেসিং, ওয়েব সার্ফিং ইত্যাদি জানেন তাহলে ফ্রীল্যান্সিং করে একজন সাধারন চাকুরীজীবি থেকে ভালো টাকা রুজি করতে পারবেন। আর যদি কাজ জেনে থাকেন তাহলে একজন ব্যাঙ্কারের থেকে বেশি নয় অনেক বেশি টাকা রুজি করতে পারবেন। ব্যাঙ্কারের কথা এ জন্য বলছি যে বাংলাদেশে নাকি ব্যাংকে চাকুরির বেতন অনেক বেশি। আমি অনেক উদাহরন দিতে পারব যাদের প্রতি ঘন্টায় বেতন ১০০ ডলারের বেশি। এবার হিসেব করে দেখুন একদিন সে যদি ৫ ঘন্টা কাজ করে তাহলে মাসে কত টাকা রুজি করে? আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে দিন ৫ ঘন্টার কাজ সে নিজের অফিশের / বা পড়ালেখার পাশা পাশিই করতে পারে।

এখন প্রয়োজন হচ্ছে সঠিক গাইড লাইন। বা সঠিক পথ। পথের অভাব নেই। আপনি কি পারেন তা নিজেকে জিজ্ঞেস করুন। আর তা দিয়েই আপনি কাজ করতে পারবেন। আপনি শুধু ব্রাউজ করতে পারেন তা দিয়েই প্রতি ঘন্টায় ১-৫ ডলার রুজি করতে পারবেন। কিভাবে যদি জিজ্ঞেস করেন তাহলে বলবে অনেক কাজ আছে যেখানে সার্চ করে কিছু ডাটা এক্সেল বা ওয়ার্ডে প্রসেসরে জমা করে বায়ার কে দিতে হয় বা ওয়ার্ড প্রসেসর থেকে স্প্রেডশীট এ কনভার্ট করে দিতে হয়। যার সুন্দর একটি নাম হচ্ছে ডাটা এন্ট্রি। আর এর মত সহজ কাজ মনে হয় পৃথিবীতে নেই। আর আপনার যদি কম্পিউটিং সম্পর্কে একটু ভালো ধারনা থাকে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে আরো ভালো কাজ আরো ভালো টাকা। আরো সহজ একটি কাজ আছে তা হচ্ছে ওয়েব সাইট চেকিং। ছোট বর্ননা হচ্ছে নতুন যে সাইট গুলো তৈরি করা হয় তা ভিবিন্ন ওয়েব ব্রাউজার দিয়ে চেক করা। যদি কোন সমস্যা থাকে তার একটা রিপোর্ট তৈরি করা। আর এ রকম কাজের মূল্যা একজন বিগিনার ওয়েব ডেভলফারের কাছাকাছি।

যদি কিছুই না পেরে থাকেন তাহলে ও সমস্যা নেই। আপনার কাছে আছে তথ্য ভান্ডার – ইন্টারনেট। যদি প্রশ্ন করেন যা দেখি তাই ইংরেজীতে। বাংলাতে তো আমি কিছুই পাচ্ছি না। নাহ! দিন আসলেই এখন বদলে গেছে। বাংলাতেই এখন আপনি সব পাচ্ছেন। টেকটুইটস টেকটিউন্স সহ সকল বাংলা টেক ব্লগ এই আপনি প্রয়জনীয় ইনফরমেশন, টিউটোরিয়াল পাচ্ছেন নিয়মিত। আর তাতে যদি আপনি যদি সন্তুষ্ট না হয়ে থাকেন তাহলে গুগলে গিয়ে একটু সার্চ দিন। হাজার হাজার তথ্য আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। ইংরেজী এত কঠিন না। আপনি নিজে বুঝতে পারলেই হবে। আর যদি ইংরেজী পড়তে ভালো না লাগে তাহলে ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখতে পারেন। YouTube এখন এমন কোন বিষয় নেই যে যার উপর ভিডিও টিউটোরিয়াল নেই। সত্যিই আচার্যের বিষয়। সবাইকে বলব কোন বিষয় শিখার জন্য প্রথম আগে YouTube এ সার্চ দিতে। যদি YouTube না পাওয়া যায় তার পর গুগলের সাহায্য নিতে।

ফ্রীল্যান্সিং কাদের জন্য জানেন? হ্যাঁ, যারা স্বপ্ন দেখতে পারে তাদের জন্য। আর হচ্ছে যারা অলস বা ১০-৫টার ঘন্ডিতে যারা আবদ্ধ থাকতে চায় না তাদের জন্য। ফ্রীল্যান্সিং করে মজা পাবেন অনেক। আচ্ছা মজা পাবেন না কেন বলেন তো? আপনার ইচ্ছে হয়েছে আজ কক্সবাজার যেতে। আপনি আপনার বন্ধু বললেন চল আজ একটু ঘুরে আসি। অনেক দিন ঢাকায় থেকে মনের মধ্যে ঘুনে ধরে গেছে। বন্ধু একটা হাই তুলে বলল নারে দোস্ত আমার অফিসে অনেক কাজ পড়ে আছে। এখন গেলে বসের ঝাড়ি শুনতে হবে। কিন্তু আপনি একটু পাগলা টাইপের, যা বলেন তাই। তাই আপনার প্রিয় ল্যাপটপ আর মডেমটা নিয়ে ছুটছেন কক্সবাজারের দিকে। এ দিকে ফ্রীল্যান্সিং সাইটে আপনাকে হায়ার করছে একটা কাজের জন্য। তাই বাসে বসে বসে কিছু কাজ করে বাকিটা সী বিচ এ বসে কমপ্লিট করে দিলেন। আর টাকা গুলোও আপনার একাউন্টে জমা হলো। কি মজা, কাজ আর ঘুরা এক সাথে করার। ওহ!! আবার কাজের মূল্যাও যদি আপনার বন্ধুর থেকে বেশি হয় তাহলে তো কথাই নেই। শান্তি আর শান্তি। আসলে এটা একটা গল্প হলেও বাস্তবও তাই। যারা ফ্রীল্যান্সিং করে তারাই এমন মজা করতে পারে।

আমি এমন অনেককে দেখেছি যারা তাদের প্রিয় চাকরি ছেড়ে ফ্রীল্যান্সিং শুরু করছে বা কিছু কিছু মানুষ আছে যারা কিছু দিনের মধ্যেই শুরু করবে।
মজা অনেক হলো। সত্যি সত্যি অনলানে কাজ করে অনেক ভালো করা যায়। অনেক ভালো। নতুন দের জন্য ছোট কয়েকটি কথা লেখার জন্যই এ পোস্টটা লিখছি।

যারা ফ্রীল্যান্সিং শুরু করতে চায় তাদের জন্য ভালো কোনটি হবে তাই সিলেক্ট করতে অনেকের কষ্ট হয়। কারন অনেক গুলো ভালো ফ্রীল্যান্সিং স্পট রয়েছে। একদম নতুন যারা তাদের জন্য ভালো হচ্ছে oDesk. আরেকটি হচ্ছে ইল্যান্স। এটা সম্পর্কে আমি এত জোর দিয়ে বলার কারন হচ্ছে আমি নিজেই। কারন অন্যান্য সাইটে আমি অনেক গুলো বিড করে একটা রেসপন্স ও পেলাম না। কিন্তু এখানে কয়েকটি বিড করেই আমি রেসপন্স সহ কাজ পেয়েছি। oDesk এর রয়েছে সুন্দর ন্যাভিগেশন। এত বেশি কঠিন না। সহজেই নিজের পছন্দ মত কাজ বেচে নেওয়া যায়। কাজ করলে পেমেন্ট এর ও কোন সমস্যা হয় না। তার উপর সবছেয়ে দারুন সুবিধে হচ্ছে ফ্রী স্কিল টেস্ট। যা দিয়ে নিজের যোগ্যাতা প্রমান করে সহজেই কাজ পাওয়া যায়। যেখানে অন্যান্য সাইটে স্কিল টেস্ট দেওয়ার জন্য ফী দিতে হয়।

ফ্রীল্যান্সিং এ আমার আগ্রহ ছিল না, আমি কেন ফ্রীল্যান্সিং শুরু করছি তা লিখছি ছোট একটি পোস্টে। তা পাবেন এখানে [ http://tech.jakir.me/58 ]। হয়তো আপনাকে ও হেল্প করবে ফ্রীল্যান্সিং। এখানে লেখাটা প্রকাশ করতাম না যদি না বাংলাদেশে পিটিসি সাইট নিয়ে এত মাতামাতি না হত। কারন অনেকেই আয় করতে চায়। তাদের জন্য সুন্দর একটি গাইড লাইন তৈরি করতে চাই। যেন নিজেরাই নিজেদের ক্যারিয়ার তৈরি করে নিতে পারে। আর লেখা হত না যদি না আমি খুবি কম সময় oDesk এ 500 ঘন্টা না পূরন করতে পারতাম। হয়তো বাংলাদেশীদের মধ্যে আমারই সবচেয়ে কম সময় লেগেছে ৫০০ ঘন্টা করতে। আরেকটা কারন হচ্ছে আমি মজা পেয়েছি এবং পাচ্ছি। কোন চাকরি করলেও এত মজা পেতাম কিনা সন্দেহ।

আর যদি আপনার চাকুরির সন্মানের কথা চিন্তা করেন তাহলে ও ফ্রিল্যন্সিং এর সন্মান কম না। কিছুদিন আগে আমি ভার্সিটিতে যাওয়ার পথে একটা প্রাইভেট কারে লেখা দেখলাম ফ্রিল্যান্স ব্যাঙ্কার লেখা। হয়তো কয়েক দিন পর আরো বেশি দেখব এমন ফ্রিল্যান্স প্রোগ্রামার, ফ্রিল্যান্স ওয়েব ডেভলপার। আর অনলাইনে কিন্তু ফ্রিল্যান্স মার্কেটিং ম্যানেজারদের অবস্থান খুব দৃঢ়। কারন মার্কেটিং করার সবছেয়ে ভালো এবং আধুনিক হাতিয়ার হচ্ছে ইন্টারনেট। আর সার্চ ইঞ্জিন অফটিমাইজাররা এখানে নিজেদের জায়গা খুব ভালো ভাবেই করে নিতে পেরছে।

এত কিছুর পর ও আমার কষ্ট লাগে যখন দেখি প্রতিবেশিরা প্রতারিত হয়। প্রতারিত হয়, বন্ধুরা প্রতারিত হয় পুরো বাংলাদেশ। আশা করি যাদের ফ্রীল্যান্সিং এর দিকে আগ্রহ আছে তারা কোন দিকে চোখ না দিয়ে শুরু করবেন। শুরু করলেই হবে। আর যদি চিন্তা করেন যে কাজ পাওয়া অনেক কঠিন, আমি কাজই জানি না, না জেনে কি ভাবে শুরু করব। যারা জানেন না তারাও যদি ফ্রীল্যান্সিং সাইটে নিয়মিত ঘুরেন তাহলে বুঝতে পারবেন আপনার কি শিখা উচিত। তখন নিজের থেকেই শিখার একটা আগ্রহ জন্মাবে, আর শিখার পর কাজ শুরু করতে পারবেন। ঠিক আছে প্রথম প্রথম কাজ পাওয়া কঠিন। কিন্তু তাই বলে বসে থাকলে তো হবে না। যারা আজ নতুন তারাই তো কাজ করেই পুরাতন হয়। তাই আপনি ও কাজের জন্য বিড করা শুরু করুন দেখবেন কত সহজেই কাজ পাওয়া যায় আর আপনি ও একজন সফল ফ্রীল্যান্সার হতে পারবেন।

সবার জন্য শুভ কামনা। সবাই যেন নিজ নিজ স্বপ্ন পূরন করতে পারে। আর আপনি যদি ফ্রীল্যান্সার হতে চান তাহলে দোয়া করি আপনি যেন একজন সফল ফ্রীল্যান্সার হতে পারেন।

SELL UR GRAPHICS

ফ্রিল্যান্সারদের ডিজাইন বিক্রির শীর্ষ কিছু ওয়েবসাইট ।

সময়ের জনপ্রিয় পেশা ফ্রিল্যান্সিং। আর এ ক্ষেত্রে গ্রাফিক্স ও ওয়েব ডিজাইনার কিংবা ক্রিয়েটিভ পেশাজীবীদের চাহিদা অনেক। তবে কাজের ক্ষেত্রে অনেক সময় ভালো মানের ডিজাইন পছন্দ নাও করতে পারে। আবার অনেক সময় নমুনা (স্যাম্পল) ডিজাইনও করা হয়ে থাকে।
এসব বাদ পড়া কিংবা পড়ে থাকা নমুনা ডিজাইনও অনেক সময় মার্কেটপ্লেসে বিক্রি করা যায়। লোগো, ওয়েব টেমপ্লেট, ফটো ইত্যাদি বিক্রির শীর্ষ ওয়েবসাইটগুলো সম্পর্কে ফ্রিল্যান্সারদের জানাতে এ প্রতিবেদন।
গ্রাফিক লেফটওভার : সাইটটিতে লোগো, আইকন, ইলাস্ট্রেশন, টেমপ্লেটসহ এ ধরণের ডিজাইন বিক্রি করা যায়। এটি অন্যান্য ওয়েবসাইটের তুলনায় ভালো অর্থ প্রদান করে।
আইস্টকফটো : এখানে ফটো, ইলাস্ট্রেশন, ফ্লাশ, ভিডিওসহ বিভিন্ন ধরণের ক্রিয়েটিভ কাজ বিক্রি করা যায়।
কোসোয়াপ : সাইটটিতে বিভিন্ন ডিজাইন ও কোডিং কেনাবেচা করা যায়।
ভেক্টরস্টক : বিভিন্ন ধরণের ইমেজ ভেক্টর বিক্রির অসাধারণ একটি ওয়েবসাইট এটি।
ফ্লাশডেন : এটি একটি ফ্লাশ ফাইল মার্কেটপ্লেস। সাইটটি কোনো ফাইল বিক্রির নূণ্যতম ৪০ শতাংশ পরিশোধ করে।
ভিডিওহাইভ : এখানে স্টক ভিডিও ফুটেজ ও মোশন গ্রাফিক্স বিক্রি করা যায়।
থিমফরেস্ট : এখানে থিমের পাশাপাশি ওয়েব ডিজাইন টেমপ্লেট বিক্রির নূণ্যতম ৪০ শতাংশ পাওয়া যায়।
গ্রাফিকরিভার : সাইটটিতে ভেক্টর ইমেজ, লেয়ারড ফটোশপ ফাইলসহ বিভিন্ন ধরণের ক্রিয়েটিভ কাজ বিক্রি করা যায়।
সাটারস্টক : এখানে ফটোগ্রাফি ও ভেক্টর ইমেজের প্রতিটি ডাউনলোডের জন্য .২৫ ডলার আয় করা যায়।
মাইফন্টস : এই অনলাইন ফন্ট সংগ্রহশালায় ফন্ট তৈরি করে ভালো দামে বিক্রি করতে পারেন।
ডব্লিউপি থিম মার্কেট : এখানে ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডিজাইন তৈরি করে বিক্রি করা যায়।
কাটকাস্টার ডটকম : এখানে ডিজিটাল ইমেজ, ভেক্টর গ্রাফিক্সসহ স্টক ভিডিও বিক্রি করা যায়।
ক্লেভার অ্যান্ডি : ফুল ফাংশনাল সাইটে আপনার করা ডিজাইন দেখতে পাবেন সাইটটিতে। বিক্রির মোট আয়ের উপর একটি কমিশন পাওয়া যাবে এখান থেকে।
টেমপ্লেম্যাটিক : সাইটটিতে আপনার করা ওয়েবসাইট টেমপ্লেট আপলোড ও বিক্রি করতে পারবেন।
সিএমএস মার্কেট : এখানে জুমলা এবং ওয়ার্ডপ্রেসের থিম, টেমপ্লেট, এক্সটেনশনসহ ক্রিয়েটিভ কাজগুলো বিক্রি করা যায়।
সিএসএস টেমপ্লেটস ওয়েব : এখানে কমদামি সিএসএস নির্ভর ওয়েবসাইট টেমপ্লেটগুলো বিক্রি করা যায়।
লিনোটাইপ ডটকম : এই সাইটটি নতুন ফন্ট ডিজাইনারদের জন্য বেশ উপযোগি। এখানে আপনার ফন্ট আপলোড ও বিক্রি করতে পারেন।
সেরিজমো : সাইটটিতে নিজের সাজানো অনলাইন স্টোরে আপনার গ্রাফিক্স বিষয়ক কাজ আপলোড ও বিক্রির সঙ্গে সঙ্গেই তার মূল্য পেতে পারেন।
থিম গ্যালাক্সি : এটি একটি প্রিমিয়াম ওয়ার্ডপ্রেস থিম মার্কেটপ্লেস। এখানে নতুন থিম ডিজাইনারদেরকে একসঙ্গে কাজ করার জন্য স্বাগত জানানো হয়।
ওয়ার্ডপ্রেস ডিজাইনার : এটিও একটি প্রিমিয়াম থিম মার্কেটপ্লেস। এখানে নতুন ডিজাইনাররা সহজেই কাজ করতে পারেন।
Share Button


TOP 8 FREELANCING HELP SITE

Here u may find TOP 8 FREELANCING HELPING  SITE

সফলভাবে ফ্রীল্যান্সিং করার জন্য ফ্রীল্যান্সারদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং সঠিক গাইডলাইনের প্রয়োজন হয় । এছাড়াও ফ্রীল্যান্সাররা অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয় । আর এ সকল সমস্যার সমাধান এবং ফ্রীল্যান্সারদের সকল ধরনের প্রয়োজন মেটানোর উপযোগী ৮টি ওয়েবসাইটের সাথে আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব ।

1. Freelance Folder

ফ্রীল্যান্সার এবং উদ্যোক্তাদের সহায়তা করার জন্য Freelance Folder দারুন ভূমিকা রেখে চলেছে । আপনি ব্লগার, ফীল্যান্সার, লেখক, পাঠক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী … যাই হোন না কেন Freelance Folder দারুনভাবে আপনার কাজে লাগতে পারে ।

2. All About Freelance

নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে এখানে কি আছে । All About Freelance এ ফ্রীল্যান্স সম্পর্কিত সব ধরনের ধরনের তথ্য রয়েছে । নতুন ও পুরাতন সকল ধরনের ফ্রীল্যান্সারদের জন্য দারুন সব তথ্যে ভরপুর এই সাইট

3. Freelance Switch

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ফ্রীল্যান্সারদের কম্যুনিটি হল Freelance Switch । দক্ষ – অদক্ষ সব ধরনের ফ্রীল্যান্সারদের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগীতা দেয়া হয় এখানে । ফ্রীল্যান্স সম্পর্কিত আপনার সমস্যার সমাধানে এটি ভাল ভূমিকা রাখতে পারে ।

4. Guerrilla Freelancing

ভাল ফ্রীল্যান্সার হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ? সফলতার জন্য এখান থেকে যথেস্ট সাহায্য পেতে পারেন ।

5. Wake Up Later

ওয়েব সাইট তৈরি, ব্লগিং, ফ্রীল্যান্সিং ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এই সাইটটি । প্রোগ্রামিং, এস.ই.ও এবং ইন্টারনেট মার্কেটিং সম্পর্কিত বিষয়ও এখানে স্থান পেয়েছে ।

6. All Freelance Directory

ফ্রীল্যান্সার এবং ইন্টারনেট ব্যবসায়ীদের জন্য নানা রকম টিপস এবং তথ্য রয়েছে এখানে ।

7. Freelance Venue

ফ্রীল্যান্সারদের জন্য নেটওয়ার্ক প্ল্রেস হল Freelance Venue । এখানে ফোরাম এ অংশগ্রহন করে ফ্রীল্যান্সারদের সাথে যোগাযোগ গড়ে তোলা যাবে ।

8. Pro Freelancing

পেশাদার ফ্রীল্যান্সার হওয়ার কাজে সহায়তা পেতে পারেন এখান থেকে । শেখার মত দারুন কিছু রিসোর্স রয়েছে এখানে ।

Subscribe 24helpzone

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

.

Namecheap.com

Popular Posts

Visiitor Box


widget

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.

.

Namecheap.com